সোমবার, ২২ নভেম্বর, ২০১০

হোমলেস হোমসিকনেস

আমাদের পচনশীল রাজনীতি নিয়ে কত লেখা পড়েছি তার কোন ইয়ত্তা নেই।হাসিনা খালেদা আর এরশাদ (এক্টুখানি জামাত)ময় এই রাজনীতির গরম মাঠে সূর্যের চাইতে বালির বেশী গরমের মতো দেখেছি বখাটে ছেলেটার রাজনীতির প্রতি গভীর অনুরাগ। আর তার সহপাঠি ভালো ছেলেটির বগলে বই নিয়ে মাথা নিচু করে হেঁটে যাওয়া।

সব কিছুই ঠিক ছিলো (বেঠিক থাকার মধ্যে যতটুকু ঠিক থাকে আর কি!!।আমাদের কোন কিছু কোন কালে ঠিক ছিলো নাকি?....সেই ১৭৫৭ সাল থেকেই তো.......);হাসিনার বকবকানি, খালেদার রূপচর্চা, এরশাদের মধুর সন্ধান আর চরিত্রের ব্যবচ্ছেদ।

সেনানিবাসের রাজপ্রাসাদে সুখে ছিলেন খালেদা, সেখানে বসে রাজ্য চালিয়েছেন, খাম্বা লিমিটেড বানিয়ে দিয়েছেন ছেলেকে। যাই হোক বকবক কম করে আমাদের দুটো কানের একটাকে খানিকটা আরাম দেওয়ার জন্য একটু কৃতজ্ঞ ও ছিলাম বটে আমরা তাঁর প্রতি। সবসময় মুখে হাসি ধরে রাখার দূর্লভ গুনের অধিকারিনী নেত্রীকে ৯১র জলোচ্ছাস স্পর্শ করেনি, পানির ট্যাংকের গলিত লাশ ও কোন দিন স্পর্শ করেনি, তাঁকে টলাতে পারেনি রেল লাইনে কাটা পড়া কর্মিদের লাশ ও! মুখে হাসি দেখিনি কবে!! হয়তো ক্যমেরার সামনে কিভাবে পোজ দিতে হবে এজন্য রাজণীতিবিদদের কোন শর্ট কোর্স করতে হয়। আমাদের এই দুই নেত্রীকে দেখে মনে পড়ে চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার কথা। কোমরে আঁচল পেঁচিয়ে , ম্যকাপবিহীন জাঁদরেল এই মহিলাকে দেখে কখনো খারাপ লাগতোনা, মমতা ব্যনার্জিকে দেখলে রাজনীতিবিদ দেখা সার্থক হয়।

যা হোক নেত্রী দূর্জনের মুখে ছাই দিয়ে চাপা কান্না কাঁদলেন দুই ছেলে দূর্নীতি আর চাঁদাবাজীর দায়ে কারাগারে যাওয়ার পর। সেটা ছিলো মায়ের কান্না। স্পর্শ করেছিলো আমাদের মতো ম্যাঙ্গো পিপলদের ও, যাদের পুটকি মেরে দুই যুব্রাজ সম্পদের পাহাড় গড়েছিলেন!

আর শেষবেলায় নেত্রী আকুল হয়ে কাঁদলেন অবৈধভাবে পাওয়া একটি বাড়ির শোকে! আঁচলে চোখ মুছলেন, টিস্যু পেপার ভিজিয়ে, ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে। আদালত বলছে বাড়ি ছেড়ে দিন, আদালতের সম্মানে নেত্রী মালসামান গোছালেন সময় নিয়ে। আর আইএসপিয়ার আসার জন্য অপেক্ষা করলেন শেষ দিন দুপুর পর্যন্ত!! আমি ঠিক জানিনা অই দিন সরকারি বাহিনি না গেলে কি তিনি বাড়ি ছাড়তেন না? তাহলে আদালতের সম্মান নিয়ে এই যে তার টেনশিত হয়ে থাকা সেটি পুরোটাই ভান!!রায় বাস্তবায়নের বিপক্ষে কোন স্টে অর্ডার নেই, সরকারের হাতে উচ্ছেদ ব্যাতিত কোন বিকল্প নেই, নেত্রী মনে হয় শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত মাটি কামড়ে পড়ে থাকতে চেয়েছিলেন কিছু দুরাশা নিয়ে, পুলিশ মারুকনা ডান্ডা দিয়ে দুটো বাড়ি...তার পরই না আন্দোলন করে সুখ! আইএস্পিয়ারের দাবি মোতাবেক সসম্মানে বের হয়ে যাওয়ার পর তার আকুল ক্রন্দন দেখে আমাদের রাজনীতির দেউলিয়াত্ব কোথায় সেটা যখন অনুভব করা শুরু করেছি, ছাগল এই আমরা তখন হতভম্ব হয়ে দেখলাম সামনে একখান হরতাল খাড়া! ঈদের ছুটির আগে অফিসের কাজের চাপ, শেষ মূহুর্তের ডেডলাইন মেন্টেন করা, টিকিটের খোঁজে উদ্ধশ্বাস আমাদের মাথায় বাড়ি মেরে আমাদের রাজনীতি আমাদের অনেক্ বড়ো একটা সবক দিলো!

দেশের চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে ব্যাক্তি আর ম্যঙ্গো পিপলের চাইতে অনেক বড়ো দামি হচ্ছে নেত্রীর বাড়ী!!

বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০১০

ali-mahmed.com: কুইজ প্রতিযোগিতা

ali-mahmed.com: কুইজ প্রতিযোগিতা
এইটা হলো গাড়ির বনেটে মেয়ে মডেল শুয়ে থাকার মতো ব্যাপার; নারী স্বাধিনতা, নারীর বানিজ্যিকিকরন এবং কর্পোরেট বাজার, যেখানে মেধার চাইতে মাংসের দাম বেশী, টেকসই উন্নয়নের পশ্চিমা তরিকা!
তবে এখানে মিডিয়া মুঘলের উৎকট নাঙ্গুপনা লজ্জাকর!

বুধবার, ১৯ মে, ২০১০

স্বপ্ন

স্বপ্ন-১
যদি পারতাম
তবে নিশ্চিত আকাশটাকে ফাঁড়তাম
পূর্ণিমার চাঁদটাকে ফালি ফালি কাটতাম
স্বপ্নের ফানুস গুলো তার দু পায়ে ফেলতাম...

স্বপ্ন-২
আমার স্বপ্নগুলো সব বেদূইন ইদানিং
নেই তারা কোথথাও-
দুধের বোতলে নেই, নেই মোরগের ঝুঁটিতে
চিবুকের ধার তার বেড়ে গেছে খুব
বুকজ্বালা চাউনি ভীষণ-স্বপ্নদের আর দোষ কি বলো
তাই তারা গেছে ছুটিতে......

স্বপ্ন-৩
আকাশটাও হঠাত ঢেকে যায়
চিলের দু ডানায় দেখি স্বপ্নের হামাগুড়ি
জুতার সুখতলা ক্ষয়ে যায়
স্বপ্নলজ্জ্বাহীন ওড়াই আমার চাঁদিয়াল ঘুড়ি...

যাদুকরি আমার

নদীর দু-পারে চর পড়ে
নাকি; হাহ্‌, আমার চরণসমূহ আর
একাদশীময় জগতের ঘাড়ে
ভাবনার ছিন্নমস্তি অথই এক শিল্পীর
জীবন নিয়ে চলে লুকোচুরি।

বড্ডো এলোমেলো ভাবনারা সব;
সহচররা আমার, আর বড্ডো সুখে থাকা সহচরি-
আর, অজেয় মনের ভরা কলরব
দুলে ওঠা হৃদি আমার তার কুন্তলদাম হেরি
ভাবনাকুসুম-ঝরে পড়ে মঞ্জরি।

ছায়ার পাশে ছায়া হয়ে থাকি
বর্ষামঙ্গল গেয়ে যাই শীতে
স্বপ্ন দেখার পর্ব আরো বাকি
জীবন পোঁতা নড়বড়ে ভীতে
চমকাই পথে অদৃশ্য তার রাতুল অঙ্গুলি ধরি।

দৃশ্য থেকে দ্রষ্টা অবধি-
খেয়ে ফেলে ঝাপসা চোখের মনসুবিজন
বয়ে চলে নাকি- কাল নিরবধি
লোলচর্ম দিন ঠেঙ্গিয়ে চলে যাপিত জীবন
যখন, কুশীলব নেই দৃশ্যের কুটিল ভ্রকুটী হেরি।

দড়কচা মেরে পড়ে থাকা, জটাবাঁধা
কালের ছোপছোপ আধাঁর নিয়ে বুকে-
মিছেই গল্প বোনার ইচ্ছেটাকে সাধা
বয়েসি শীমের ঝুলে পড়া শোকে-
করতালি দেন ঈশ্বর, সাথে নাচেন ঈশ্বরী।

আমি এবং আমরা যারা
সব কিছুতেই খুঁজে মরি বৃষ্টি সোঁদা,
ডোলকলমির পাতার মতো গন্ধ ভরা
চাপা-কাষ্ঠ-অট্টহাসির ফোয়ারা সাধা-
ভৃত্য যেন দৈনন্দিনের ধন্বন্তরী।

ভাবনার অলিতেগলিতে পোকাধরা
জং পড়া সব ছ্যতরে যাওয়া চ্যাপ্টানো দিন
চালচুলোহীন- ভুল ব্যাকারনে ব্যাখ্যা করা
ভুল দিনের স্বপ্ন রঙ্গীন,
নিয়তির পশ্চাতে হাসে ডাকাত চোখের যাদুকরি।


রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০০৯

sleep
eat.......
office>>>
home...sleeep...


britto...